মুসলিম জনসংখ্যায় বদলে যাচ্ছে ইউরোপ

512

ইউরোপে দিন দিন মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে ইউরোপ। বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সংখ্যার অনুপাতে ২০৫০ সালে ইউরোপের চেহারা কেমন দাঁড়াবে? মার্কিন গবেষণা সংস্থা ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’ অভিবাসনের হার বিবেচনায় এর যে নানা চিত্র দাঁড় করিয়েছে, তাতে দেখানো হচ্ছে, মুসলিম জনসংখ্যার বিরাট বৃদ্ধি ঘটবে বিভিন্ন দেশে।

যেমন ধরা যাক সুইডেনের কথা। ২০১৬ সালে সুইডেনের মুসলিমদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ৮ দশমিক ১ শতাংশ। কিন্তু অভিবাসনের উচ্চহার যদি অব্যাহত থাকে ২০৫০ সাল নাগাদ সুইডেনে মুসলিম হবে মোট জনসংখ্যার তিরিশ শতাংশ। অর্থাৎ জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ। খবর বিবিসি বাংলার।

পিউ রিসার্চ সেন্টার অভিবাসনের বিভিন্ন হার বিবেচনায় নিয়ে ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যা সম্পর্কে তিন ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যদি অভিবাসন এখনই শূন্যে নামিয়ে আনা হয়, তারপরও ইউরোপের মুসলিম জনসংখ্যা বর্তমানের ৪ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ৭ দশমিক ৪ শতাংশে।

এছাড়া যদি অভিবাসনের উচ্চ হার অব্যাহত থাকে, তাহলে মুসলিম জনসংখ্যা হবে ১৪ শতাংশের বেশি। পিউ রিসার্চ সেন্টার এ গবেষণাটি চালায় মোট তিরিশটি দেশের ওপর। এর মধ্যে ২৮টি হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র। অন্য দুটি দেশ হচ্ছে নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড।

কোন দেশে কত মুসলিম:

২০১৬ সালের তথ্য বিবেচনায় নিলে ইউরোপের এ তিরিশ দেশের মুসলিম জনসংখ্যা এই মুহূর্তে ২ কোটি ৫৭ লাখ। মোট জনসংখ্যার ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।

এর মধ্যে সংখ্যার হিসাবে এবং জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি মুসলিম আছে ফ্রান্সে। দেশটিতে বাস করে প্রায় অর্ধ কোটি মুসলিম ( ৪৯ লাখ ৫০ হাজার)। ফ্রান্সের মোট জনসংখ্যার অনুপাতে মুসলিমরা হচ্ছেন ৮ দশমিক ৮ শতাংশ।

ইউরোপের এই তিরিশ দেশের মধ্যে মুসলিমরা দ্বিতীয় বৃহত্তম সংখ্যায় আছে জার্মানিতে। সেখানে মোট জনসংখ্যার ৬ দশমিক ১ শতাংশ মুসলিম। মোট মুসলিমের সংখ্যা ৫৭ লাখ ২০ হাজার।

ব্রিটেনে মোট জনসংখ্যার অনুপাতে মুসলমানের সংখ্যা জার্মানির তুলনায় বেশি (৬ দশমিক ৩ শতাংশ)। ব্রিটেনে মুসলমানদের সংখ্যা ৪১ লাখ ৩০ হাজার। এছাড়া ইউরোপে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় এবং হারে মুসলিম আছে নেদারল্যান্ডস, ইতালি, স্পেন এবং সুইডেনে।

ইউরোপে দিন দিন মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে ইউরোপ। বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সংখ্যার অনুপাতে ২০৫০ সালে ইউরোপের চেহারা কেমন দাঁড়াবে? মার্কিন গবেষণা সংস্থা ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’ অভিবাসনের হার বিবেচনায় এর যে নানা চিত্র দাঁড় করিয়েছে, তাতে দেখানো হচ্ছে, মুসলিম জনসংখ্যার বিরাট বৃদ্ধি ঘটবে বিভিন্ন দেশে।

যেমন ধরা যাক সুইডেনের কথা। ২০১৬ সালে সুইডেনের মুসলিমদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ৮ দশমিক ১ শতাংশ। কিন্তু অভিবাসনের উচ্চহার যদি অব্যাহত থাকে ২০৫০ সাল নাগাদ সুইডেনে মুসলিম হবে মোট জনসংখ্যার তিরিশ শতাংশ। অর্থাৎ জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ। খবর বিবিসি বাংলার।

পিউ রিসার্চ সেন্টার অভিবাসনের বিভিন্ন হার বিবেচনায় নিয়ে ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যা সম্পর্কে তিন ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যদি অভিবাসন এখনই শূন্যে নামিয়ে আনা হয়, তারপরও ইউরোপের মুসলিম জনসংখ্যা বর্তমানের ৪ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ৭ দশমিক ৪ শতাংশে।

এছাড়া যদি অভিবাসনের উচ্চ হার অব্যাহত থাকে, তাহলে মুসলিম জনসংখ্যা হবে ১৪ শতাংশের বেশি। পিউ রিসার্চ সেন্টার এ গবেষণাটি চালায় মোট তিরিশটি দেশের ওপর। এর মধ্যে ২৮টি হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র। অন্য দুটি দেশ হচ্ছে নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড।

কোন দেশে কত মুসলিম:

২০১৬ সালের তথ্য বিবেচনায় নিলে ইউরোপের এ তিরিশ দেশের মুসলিম জনসংখ্যা এই মুহূর্তে ২ কোটি ৫৭ লাখ। মোট জনসংখ্যার ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।

এর মধ্যে সংখ্যার হিসাবে এবং জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি মুসলিম আছে ফ্রান্সে। দেশটিতে বাস করে প্রায় অর্ধ কোটি মুসলিম ( ৪৯ লাখ ৫০ হাজার)। ফ্রান্সের মোট জনসংখ্যার অনুপাতে মুসলিমরা হচ্ছেন ৮ দশমিক ৮ শতাংশ।

ইউরোপের এই তিরিশ দেশের মধ্যে মুসলিমরা দ্বিতীয় বৃহত্তম সংখ্যায় আছে জার্মানিতে। সেখানে মোট জনসংখ্যার ৬ দশমিক ১ শতাংশ মুসলিম। মোট মুসলিমের সংখ্যা ৫৭ লাখ ২০ হাজার।

ব্রিটেনে মোট জনসংখ্যার অনুপাতে মুসলমানের সংখ্যা জার্মানির তুলনায় বেশি (৬ দশমিক ৩ শতাংশ)। ব্রিটেনে মুসলমানদের সংখ্যা ৪১ লাখ ৩০ হাজার। এছাড়া ইউরোপে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় এবং হারে মুসলিম আছে নেদারল্যান্ডস, ইতালি, স্পেন এবং সুইডেনে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY