বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে তো পড়লেন না, মনে হলো রবারের মতো নিজের দেহটাকে টেনে লম্বা করে বাড়িয়ে দিলেন বাঁ হাত। ইয়ান ওব্লাকের বাঁ হাত নাকি দুর্বল। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ গোলরক্ষক ওই হাতে বলটাকে ঠেলে দিলেন। কিন্তু পারলেন না। ডান হাতের জোর দিয়ে ঠেললেও আসলে পারতেন না। লিওনেল মেসির দুর্দান্ত ফ্রি কিক যে জাল খুঁজে নিতই। কাঁটা কম্পাসে মেপে নেওয়া ফ্রি কিকটি আগুন গোলার গতি নিয়ে ঢুকল অ্যাটলেটিকোর জালে। ওই এক গোলই এনে দিল তিন পয়েন্ট, যে পয়েন্টের মূল্য আসলে তিন তিরিকে নয়, কিংবা তারও বেশি!
জিরোনার বিপক্ষে মানবদেয়ালের নিচ দিয়ে ঠেলে দেওয়া ফ্রি কিকটির স্মৃতি এখনো টাটকা। এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচে ফ্রি কিক থেকে গোল করলেন মেসি। তাঁর ২৬ মিনিটের গোলটি ক্যারিয়ারের মুকুটে যোগ করল নতুন পালক। এই প্রথম টানা তিন ম্যাচে ফ্রি কিক থেকে গোল করলেন। ক্যারিয়ার গোল হয়ে গেল ৬০০তম। তবে মেসি সবচেয়ে খুশি হবেন এই গোলটাতেই শেষ পর্যন্ত বার্সা জিতল বলে।
গত ম্যাচে তাঁর ফ্রি কিকের পরও বার্সা ড্র করেছিল, সেটিও লাস পালমাসের মতো দলের বিপক্ষে। লিগে সর্বশেষ ৫ ম্যাচের তিনটায় ড্র। বার্সার ৬ পয়েন্ট হারানোর সর্বোচ্চ ফায়দা তুলে অ্যাটলেটিকো ঘাড়ে চেপে বসেছিল। এই ম্যাচ অ্যাটলেটিকো জিতলে পয়েন্ট ব্যবধান হতো দুই। আর বার্সা জিতলে হয়ে যাবে ৮। ফলে মরণপণ লড়াই করেছিল। ৮৫ মিনিটে বার্সার জালে বলও পাঠিয়েছিল তারা। কিন্তু অফসাইডের খাঁড়ায় বাতিল হয় সেই গোল। এর আগে ৭৫ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের গোলও বাতিল হয়েছে অফসাইডে।
কেবল টিকে থেকেছে মেসির গোলটাই।
| দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | পয়েন্ট |
| বার্সেলোনা | ২৭ | ২১ | ৬ | ০ | ৬৯ |
| অ্যাটলেটিকো | ২৭ | ১৮ | ৭ | ২ | ৬১ |
| রিয়াল | ২৭ | ১৬ | ৬ | ৫ | ৫৪ |
| ভ্যালেন্সিয়া | ২৬ | ১৫ | ৫ | ৬ | ৫০ |
| সেভিয়া | ২৭ | ১৪ | ৩ | ১০ | ৪৫ |













