ঋণ জালিয়াতির মামলায় জামিন আলতাফের

897

ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সোনালী ব্যাংকের সাবেক উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন জামিন পেয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন।
এই মামলায় ২০১২ সালের ২৩ ডিসেম্বর শেখ আলতাফ হোসেন গ্রেপ্তার হন। তিনি হলমার্ক কেলেঙ্কারি মামলারও অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি।
জামিন আবেদনে বলা হয়, আসামি আলতাফ ব্রেন স্ট্রোকের পর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা শোচনীয়। আদালতে আনা হলে যে কোনো সময় তাঁর মৃত্যু ঘটতে পারে। জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় আলতাফের জামিন দেন।

পরে শেখ আলতাফ হোসেনের আইনজীবী আবু ফয়েজ মোহাম্মাদ হাসান প্লন, এই মামলায় জামিন হলেও আরও ৩৪টি মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আলতাফ। সেগুলোতে জামিন না পেলে তিনি কারাগার থেকে বের হতে পারবেন না।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, আলতাফসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের ৫ কোটি ১৯ লাখ ৭৭ হাজার ৯০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এ টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি দুদক রমনা থানায় মামলাটি করে। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২২ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এই মামলায় আলতাফসহ চারজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। পলাতক আছেন ছয়জন। আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল অভিযোগ গঠন করেন। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সোনালী ব্যাংকের সাবেক উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন জামিন পেয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন।
এই মামলায় ২০১২ সালের ২৩ ডিসেম্বর শেখ আলতাফ হোসেন গ্রেপ্তার হন। তিনি হলমার্ক কেলেঙ্কারি মামলারও অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি।
জামিন আবেদনে বলা হয়, আসামি আলতাফ ব্রেন স্ট্রোকের পর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা শোচনীয়। আদালতে আনা হলে যে কোনো সময় তাঁর মৃত্যু ঘটতে পারে। জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় আলতাফের জামিন দেন।

পরে শেখ আলতাফ হোসেনের আইনজীবী আবু ফয়েজ মোহাম্মাদ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, এই মামলায় জামিন হলেও আরও ৩৪টি মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আলতাফ। সেগুলোতে জামিন না পেলে তিনি কারাগার থেকে বের হতে পারবেন না।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, আলতাফসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের ৫ কোটি ১৯ লাখ ৭৭ হাজার ৯০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এ টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি দুদক রমনা থানায় মামলাটি করে। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২২ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এই মামলায় আলতাফসহ চারজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। পলাতক আছেন ছয়জন। আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল অভিযোগ গঠন করেন। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সোনালী ব্যাংকের সাবেক উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন জামিন পেয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন।
এই মামলায় ২০১২ সালের ২৩ ডিসেম্বর শেখ আলতাফ হোসেন গ্রেপ্তার হন। তিনি হলমার্ক কেলেঙ্কারি মামলারও অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি।
জামিন আবেদনে বলা হয়, আসামি আলতাফ ব্রেন স্ট্রোকের পর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা শোচনীয়। আদালতে আনা হলে যে কোনো সময় তাঁর মৃত্যু ঘটতে পারে। জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় আলতাফের জামিন দেন।

পরে শেখ আলতাফ হোসেনের আইনজীবী আবু ফয়েজ মোহাম্মাদ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, এই মামলায় জামিন হলেও আরও ৩৪টি মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আলতাফ। সেগুলোতে জামিন না পেলে তিনি কারাগার থেকে বের হতে পারবেন না।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, আলতাফসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের ৫ কোটি ১৯ লাখ ৭৭ হাজার ৯০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এ টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি দুদক রমনা থানায় মামলাটি করে। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২২ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এই মামলায় আলতাফসহ চারজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। পলাতক আছেন ছয়জন। আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল অভিযোগ গঠন করেন। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সোনালী ব্যাংকের সাবেক উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন জামিন পেয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন।
এই মামলায় ২০১২ সালের ২৩ ডিসেম্বর শেখ আলতাফ হোসেন গ্রেপ্তার হন। তিনি হলমার্ক কেলেঙ্কারি মামলারও অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি।
জামিন আবেদনে বলা হয়, আসামি আলতাফ ব্রেন স্ট্রোকের পর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা শোচনীয়। আদালতে আনা হলে যে কোনো সময় তাঁর মৃত্যু ঘটতে পারে। জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় আলতাফের জামিন দেন।

পরে শেখ আলতাফ হোসেনের আইনজীবী আবু ফয়েজ মোহাম্মাদ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, এই মামলায় জামিন হলেও আরও ৩৪টি মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আলতাফ। সেগুলোতে জামিন না পেলে তিনি কারাগার থেকে বের হতে পারবেন না।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, আলতাফসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের ৫ কোটি ১৯ লাখ ৭৭ হাজার ৯০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এ টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি দুদক রমনা থানায় মামলাটি করে। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২২ মে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এই মামলায় আলতাফসহ চারজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। পলাতক আছেন ছয়জন। আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল অভিযোগ গঠন করেন। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY