ম্যাচে টান টান উত্তেজনা। শেষ ওভারে প্রয়োজন ৮ রান। ক্রিজে তখন রশিদ খান ও সামিউল্লাহ সেনওয়ারি। এদিকে পানিশূন্যতায় মোস্তাফিজের পেশিতে টান পড়তে শুরু করেছে। এমন অবস্থা থেকে ম্যাচ জেতালেন কাটার-মাস্টার। মাহমুদউল্লাহ-ইমরুলের দৃঢ়তাভরা ইনিংসের পর মোস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ। ‘দ্য ফিজ’ জানালেন, শেষ ওভারের আগে অধিনায়ক মাশরাফি কীভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন তাকে।
সোমবার টিম হোটেলে সংবাদ মাধ্যমকে মোস্তাফিজ বললেন, “শেষ ওভারে ওদের দরকার ছিল ৮ রান। তখন মাশরাফি ভাই বলছিলেন, ‘আমরা অনেকবার ৮/৯ রান ডিফেন্ড করতে গিয়ে হেরেছি। আজকে তুই জেতা।’ ভাই কথাটা বলার সময় খুব ভালো লাগছিল। বোলিং করতে কষ্ট হচ্ছিল, তবু চেষ্টা করলাম। পাশে অপু ভাই ছিলেন। তিনিও বলছিলেন, ‘দ্যাখ, তোর হাতেই সব কিছু।”
শুধু আফগানিস্তান নয়, তীব্র গরমের সঙ্গেও লড়তে হয়েছে মোস্তাফিজ সহ পুরো দলকে, ‘আবুধাবিতে গরম একটু বেশি। সবারই কষ্ট হয়েছে গরমে। আমার পায়ে ক্র্যাম্প হয়েছিল। অনেক কষ্টের পর এমন জয় সত্যি স্বস্তিদায়ক।’
৫ ওভার বোলিং করার পর পেশিতে ব্যথা অনুভব করেন মোস্তাফিজ। প্রচণ্ড গরমে তিনি তখন কাহিল। তবু সব কষ্ট সহ্য করে বোলিং করেছেন কাটার-মাস্টার, “মাঝখানে ৩ ওভার বোলিংয়ের সময় মাশরাফি ভাইকে বলেছি যে পায়ে লাগছে। ভাই তখন বলেছেন, ‘তুই বিশ্রাম নে, শেষ দিকে আবার বল করতে হবে।’ পায়ে যেন না লাগে সেজন্য শেষ স্পেলে ছোট রান-আপে দৌড়েছি। আমার নিজের ওপর বিশ্বাস ছিল। তবে ভাগ্যের সহায়তা ছাড়া এ ম্যাচ জেতা সম্ভব ছিল না।’
আগামী বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ফাইনালে ওঠার ম্যাচ নিয়ে মোস্তাফিজের মন্তব্য, ‘আফগানিস্তানকে হারিয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে গেছে। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটা কঠিন হবে। পাকিস্তানকে বিশ্বাস নেই। ওরা যেদিন ভালো খেলে, সেদিন প্রতিপক্ষকে পাত্তাই দেয় না। ভাগ্যে থাকলে আমরা ম্যাচটা জিততে পারবো।’













