নোজ গিয়ার খুললো না, ইউএস-বাংলার ‘জরুরি অবতরণ’

953

বুধবার বেলা ১টা ২০ থেকে বিকাল ৫টা ৪০ পর্যন্ত রানওয়ে বন্ধ থাকায় এ বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক রুটের তিনটি এবং অভ্যন্তরীণ রুটের তিনটি ফ্লাইটের যাত্রা বিলম্বিত হয়েছে বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বিমানবন্দরের ম্যানেজার উইং কমান্ডার সারোয়ার ই জাহান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজটি সরিয়ে নেওয়ার পর বিকাল ৫টা ৪০ মিনিট থেকে রানওয়ে ক্লিয়ার হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

এদিকে ইউএস-বাংলার দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন গ্রুপ অব বাংলাদেশের প্রধান ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন এম রহমতুল্লাহর নেতৃত্বে এই তদন্ত চলবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ঢাকা থেকে ১৬৪ জন যাত্রী এবং ৭ জন ক্রু নিয়ে রওনা হওয়া ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস ১৪১ কক্সবাজারে নামতে না পেরে চট্টগ্রামে এসে জরুরি অবতরণ করে।

সারোয়ার ই জাহান বলেন, বোয়িং ৭৩৭-এইটকিউএইট উড়োজাহাজটির নোজ গিয়ার বা সামনের চাকা আটকে যাওয়ায় এবং কক্সবাজারে ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় পাইলট বিমানটি চট্টগ্রামে নিয়ে আসেন।

“নোজ গিয়ার না নামিয়েই এখানে নিরাপদে ল্যান্ড করেছে উড়োজাহাজটি। আরোহীরা সবাই নিরাপদে আছেন।”

জরুরি অবতরণ করা উড়োজাহাজটি রানওয়েতে আটকে থাকায় বেলা ১টা ২০ মিনিটের পর চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের রানওয়ে বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন গন্তব্যের ফ্লাইটগুলো নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে না যাওয়ায় যাত্রীদের অপেক্ষা দীর্ঘ হতে থাকে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY