বালা—সনাতনী এই গয়না একটা সময় শাড়ির সঙ্গেই মানাত বেশি। পূজার দিনগুলোতে হাতে মোটা সোনার বালা পরা ঐতিহ্যই হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি ফ্যাশনেও বেশ জনপ্রিয় এই বালা। আর এখন তো শুধু সোনারই নয়, গয়নার দোকানগুলোয় পাওয়া যায় সুতা, পিতল, পাট আর রুপার বালা। চলুন, দেখে নেওয়া যাক পূজার এই চার দিন কোন পোশাকে সঙ্গে মানাবে কোন ধরনের বালা।
১. পূজার সাজে এখনো গরদের আবেদন আছে। শাড়ি পরার ঢংটা পুরোনো কিন্তু সাজে নতুনের ছোঁয়া। হাতের বালাটা সোনালি রঙা, এতে থাকছে কুন্দন আর পাথরের নকশা। এর সঙ্গে একটু পনি টেলে উঁচু করে বাঁধা চুল, স্লিভলেস ব্লাউজ আর গলায় চার লহরের চেইনে পরিপূর্ণ পূজার সাজ।
২. পূজার গয়নার বাজারে দেখা গেল অনেক রকম পিতলের গয়নার সমাহার। একটু বড় ব্রেসলেট আকারের পিতলের এই বালাগুলো পরতে পারেন সিল্ক শাড়ির সঙ্গে।
৩. রুপার গয়নাও জলজল করবে পূজার সাজে। এর নকশাও থাকছে সূক্ষ্ম কাজের প্রাধান্য। একটা সুতি শাড়ি গায়ে জড়িয়ে এ ধরনের একটি বালা পরে নিলেই হলো। পূজার সময় গরমে আরামের পাশাপাশি অন্যের চোখে স্নিগ্ধতা দেবে এ ধরনের সাজ।
৪. পূজার দিনে কি একটু পাশ্চাত্য ঘরানার পোশাক পরছেন? হাতে দুটি সোনার বালা পরে নিন। দেখুন, সাজে কেমন ভিন্নতার ছোঁয়া আসবে।
৫. বেত, বাঁশ বা কাপড়ের গয়না তো এখন বেশ চলছে। যেকোনো ধরনের পোশাকেই মানিয়ে যাবে এ ধরনের গয়না। তবে একটি বালা নয়, এ ধরনের উপাদানের বালা তিন থেকে চারটি হাতে জড়ালে সাজে আসবে উৎসবের আমেজ।













