ভুলে যাওয়া স্বাদ কোহলিদের দিল শ্রীলঙ্কা

545
হেরাথের ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ৬৭ রান।

কলকাতা টেস্টে লিডটা বেশ ভালোই হলো শ্রীলঙ্কার। ভারতের ১৭২ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৯৪—১২২ রানে এগিয়ে নিজেদের অবস্থানটা বেশ শক্তই করল তারা। ২০১০ সালে গল টেস্টের পর ভারতের বিপক্ষে এটিই প্রথম শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে লিড নিল। ভারত ভুলেই গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা লিড নিলে কেমন লাগে। ২০১১ সালে অভিষিক্ত কোহলি ক্যারিয়ারে প্রথম দেখলেন, শ্রীলঙ্কা লিড নিচ্ছে তাঁর দলের বিপক্ষে!

শ্রীলঙ্কার পক্ষে সর্বোচ্চ সংগ্রহ রঙ্গনা হেরাথের—৬৭। ২০০ থেকে ২০১-এ স্কোর যেতে না যেতেই শ্রীলঙ্কা মিডল অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়েও যে এত বড় লিড নিতে পারল, তা হেরাথের সৌজন্যেই। এ ছাড়া লাহিরু থিরিমান্নে ৫১ আর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস করেছেন ৫২। পাশাপাশি নিরোশান ডিকভেলা ৩৫ আর দিনেশ চান্ডিমাল ২৮ রান করেন।

ভারতের পক্ষে ৪টি করে উইকেট পেয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার ও মোহাম্মদ শামি। উমেশ যাদব নিয়েছেন ২ উইকেট। ১৯৮৬ সালে শেষবারের মতো টেস্টের কোনো ইনিংসে তিনজন ভারতীয় পেসার ২টি বা এর চেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছিলেন। কলকাতা টেস্ট তাই ভারতীয় পেসারদের জন্য আলাদা একটা অধ্যায় হয়েই থাকবে।

এই টেস্টে ভারতীয় পেসাররা শ্রীলঙ্কার সব কটি উইকেটই তুলে নিয়েছেন। এমন ঘটনাও ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে খুব বেশি খুঁজে পাওয়া যাবে না। কলকাতা টেস্টসহ এর আগে কেবল দুটি টেস্টে ভারতীয় পেসারদের প্রতিপক্ষের ১০ উইকেটই তুলে নেওয়ার কীর্তি আছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এমন তিনটি ঘটনাই ভারতের মাটিতে। ১৯৮১-৮২ মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা ঘটে মুম্বাইয়ে। শেষ ঘটনাটি ১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে আহমেদাবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

এর আগে বৃষ্টির বাগড়া মাথায় নিয়ে শুরু হওয়া কলকাতা টেস্টে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত গুটিয়ে যায় ১৭২ রানে। এটি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভারতের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ। ২০০৫ সালে চেন্নাইতে ভারতের ইনিংস শেষ হয়েছিল ১৬৭ রানে।

এদিকে, ১২২ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছে ভারত। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২৩। সেটিও মাত্র ৫ ওভারে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY