
চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানির মেজবানে গিয়ে পদদলিত হয়ে নিহত ১০ জনের পরিবারের সঙ্গে আগামীকাল বুধবার দেখা করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
দুর্ঘটনাস্থল রীমা কমিউনিটি সেন্টারে মেজবান আয়োজকদের অন্যতম চট্টগ্রাম নগরের আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী আজ মঙ্গলবার এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে গতকাল সোমবার রাতেই নিহত ১০ জনের মধ্যে নয়জনের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
পদদলনের ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন ও ম্যাক্স হাসপাতালে দুজন ভর্তি আছেন।
গতকাল বেলা সোয়া একটার দিকে নগরের জামালখানের এস এস খালেদ সড়কের রীমা কনভেনশন সেন্টারে মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানির মেজবানে গিয়ে পদদলিত হয়ে প্রাণ হারান ১০ জন। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। প্রায় দেড় লাখ মানুষ যাতে গতকাল সুশৃঙ্খলভাবে চট্টগ্রাম নগরের ১৪টি জায়গায় আয়োজিত মেজবানে অংশ নিতে পারে, সে জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি পুলিশ মোতায়েন ছিল। এরপরও এই ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে পুলিশের গাফিলতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মেজবানে অংশ নেওয়া অনেকে।
দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে। সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। পদদলিত হয়ে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি পরিবারকে এক লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেজবান আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত চট্টগ্রামের রাউজানের সাংসদ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী।












